সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানের ১০ টায়ার চুরি

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 125

ছবি: সংগৃহীত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি উড়োজাহাজের টায়ার চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। তবে বিষয়টি ‘চুরি’ নয় বরং ‘স্থানান্তর’ হিসেবে উল্লেখ করে গত সোমবার শাহজালাল বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জিডিতে বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) মোশারেফ হোসেন উল্লেখ করেন, ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সের পাশে অকশন শেডে রাখা ১০টি আনসার্ভিসেবল টায়ার খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার আরমান হোসেন ও স্টোর হেলপার সামসুল হককে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে টায়ারগুলো অন্য একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নিলামে তোলার জন্য টায়ারগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছিল। কিন্তু বিমানের দুই সদস্য এগুলো বিক্রি করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এখন পুলিশ তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করবে।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আক্তার বুধবার (২০ আগস্ট) বলেন, ‘উড়োজাহাজের চাকার বিষয়ে বিমানের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছে। পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

বিমানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, ‘একেকটি চাকার দাম ৫ থেকে ১৫ হাজার ডলার। এই হিসাবে প্রায় কোটি টাকার টায়ার বিক্রি হয়ে গেছে।’

সম্প্রতি বিমানের একাধিক উড়োজাহাজে ত্রুটি ধরা পড়ায় রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই এই টায়ার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

বিমানের ১০ টায়ার চুরি

আপডেট টাইম : ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি উড়োজাহাজের টায়ার চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। তবে বিষয়টি ‘চুরি’ নয় বরং ‘স্থানান্তর’ হিসেবে উল্লেখ করে গত সোমবার শাহজালাল বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জিডিতে বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) মোশারেফ হোসেন উল্লেখ করেন, ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সের পাশে অকশন শেডে রাখা ১০টি আনসার্ভিসেবল টায়ার খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার আরমান হোসেন ও স্টোর হেলপার সামসুল হককে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে টায়ারগুলো অন্য একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নিলামে তোলার জন্য টায়ারগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছিল। কিন্তু বিমানের দুই সদস্য এগুলো বিক্রি করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এখন পুলিশ তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করবে।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আক্তার বুধবার (২০ আগস্ট) বলেন, ‘উড়োজাহাজের চাকার বিষয়ে বিমানের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছে। পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

বিমানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, ‘একেকটি চাকার দাম ৫ থেকে ১৫ হাজার ডলার। এই হিসাবে প্রায় কোটি টাকার টায়ার বিক্রি হয়ে গেছে।’

সম্প্রতি বিমানের একাধিক উড়োজাহাজে ত্রুটি ধরা পড়ায় রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই এই টায়ার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১