সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমরা রাজ পরিবারের ‘জ্যেষ্ঠ’ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসতে চাইছি

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০
  • / 173

নিউজ লাইট ৭১ রিপোর্ট: প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান বুধবার ব্রিটিশ রাজ পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে রাণি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে কোনো আলাপ আলোচনা না করেই তারা এ ঘোষণা দেন এবং তাদের এ সিদ্ধান্তে বিস্মিত রাজ পরিবার।

তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী দিনগুলো তারা যুক্তরাজ্য ও উত্তর আমেরিকায় কাটানোর পরিকল্পনা করছেন।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি এবং ডাচেস এই সিদ্ধান্তের আগে রাণি বা প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনাই করেননি।

গত বছর এ দম্পতিকে বিব্রতকর সময় পার করতে হয়েছে। তারা প্রায়ই প্রকাশ্যে বলেছেন, রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে সবসময়ই নজরদারিতে থাকতে তাদেরকে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এছাড়া তারা নেতিবাচক সংবাদের শিরোনামের তীব্র প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন।

বাকিংহাম প্যালেস থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমরা রাজ পরিবারের ‘জ্যেষ্ঠ’ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসতে চাইছি। আমরা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চাইছি। পাশাপাশি মান্যবর রাণির প্রতি আমাদের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন থাকবে।’

তারা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর আমেরিকায় কিভাবে কাটাবো তা নিয়ে পরিকল্পনা করছি।’

তবে তাদের এই ঘোষণা রাজপরিবারের জন্যে বড় ধাক্কাই মনে করা হচ্ছে।

বাকিংহাম প্যালেস থেকে ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট পর দেয়া দ্বিতীয় বিবৃতিতে বলা হয়, হ্যারি ও মেগানের সঙ্গে আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়,‘আমরা বুঝতে পারছি যে তাদের আকাক্সক্ষা ভিন্নধর্মী রূপ নিয়েছে, তবে এটি একটি জটিল ইস্যু। এর বাস্তবায়ন সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।’

উইলিয়াম ও ক্যাটের পাশাপাশি হ্যারি(৩৫) ও মেগানও(৩৮) রাজপরিবারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাদেরকে রাজপরিবারের ভবিষ্যত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Tag :

শেয়ার করুন

আমরা রাজ পরিবারের ‘জ্যেষ্ঠ’ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসতে চাইছি

আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

নিউজ লাইট ৭১ রিপোর্ট: প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান বুধবার ব্রিটিশ রাজ পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে রাণি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে কোনো আলাপ আলোচনা না করেই তারা এ ঘোষণা দেন এবং তাদের এ সিদ্ধান্তে বিস্মিত রাজ পরিবার।

তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী দিনগুলো তারা যুক্তরাজ্য ও উত্তর আমেরিকায় কাটানোর পরিকল্পনা করছেন।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি এবং ডাচেস এই সিদ্ধান্তের আগে রাণি বা প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনাই করেননি।

গত বছর এ দম্পতিকে বিব্রতকর সময় পার করতে হয়েছে। তারা প্রায়ই প্রকাশ্যে বলেছেন, রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে সবসময়ই নজরদারিতে থাকতে তাদেরকে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এছাড়া তারা নেতিবাচক সংবাদের শিরোনামের তীব্র প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন।

বাকিংহাম প্যালেস থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমরা রাজ পরিবারের ‘জ্যেষ্ঠ’ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসতে চাইছি। আমরা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চাইছি। পাশাপাশি মান্যবর রাণির প্রতি আমাদের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন থাকবে।’

তারা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর আমেরিকায় কিভাবে কাটাবো তা নিয়ে পরিকল্পনা করছি।’

তবে তাদের এই ঘোষণা রাজপরিবারের জন্যে বড় ধাক্কাই মনে করা হচ্ছে।

বাকিংহাম প্যালেস থেকে ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট পর দেয়া দ্বিতীয় বিবৃতিতে বলা হয়, হ্যারি ও মেগানের সঙ্গে আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়,‘আমরা বুঝতে পারছি যে তাদের আকাক্সক্ষা ভিন্নধর্মী রূপ নিয়েছে, তবে এটি একটি জটিল ইস্যু। এর বাস্তবায়ন সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।’

উইলিয়াম ও ক্যাটের পাশাপাশি হ্যারি(৩৫) ও মেগানও(৩৮) রাজপরিবারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাদেরকে রাজপরিবারের ভবিষ্যত হিসেবে দেখা হচ্ছে।