শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশঙ্কা ঘূর্ণিঝড়

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০২:১৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২
  • / 18

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে অশনি (ফাইল ছবি)

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে আগামী ২১ মার্চ সকালে। নির্ধারিত গতিমুখ অনুযায়ী উপকূলের দিকে এগিয়ে আসলে এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস কোনো বার্তা না দিলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে অশনি। শ্রীলঙ্কার দেওয়া এই নামের অর্থ বাজ বা বজ্র।

ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞানী আনন্দ কুমার দাস জানিয়েছেন, ১৫ মার্চ ভারত সাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ধীরে ধীরে পূর্ব ও উত্তর-পূর্বদিকে এগিয়ে ১৯ মার্চ সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগরে লঘুচাপটি গভীর লঘুচাপে পরিণত হবে। ২০ মার্চ এটি আনন্দাম নিকোবর দ্বীপের কাছাকাছি এসে নিম্নচাপে পরিণত হবে। ২১ মার্চ সকালে যা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, ২২ মার্চ এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগুতে পারে। ২৩ মার্চ আরও উত্তর ও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

বর্তমানে লঘুচাপের কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ উঠে যাচ্ছে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত যা ২৩ মার্চ ৮০ কিলোমিটারে উঠতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) থেকেই সাগর উত্তাল হতে শুরু করবে এবং ২৩ মার্চ তা প্রবল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে যত সামুদ্রিক ঝড় আসছে তার প্রায় সবগুলোই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, একটা সিস্টেম ফরম করছে। তবে এটার গতিবিধি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঘূর্ণিঝড়ের গতি ও গতিমুখ নিয়ে এত অগ্রিম কিছু বলা যায় না। কেননা, বারবার এগুলো পরিবর্তন হয়। আগে লঘুচাপটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে আসুক, তারপর আমরা সবাইকে বলবো।

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে লঘুচাপটি কক্সবাজার-মিয়ানমার উপকূলে আসতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৬ সাল থেকে ওইদিকে তেমন কোনো ঝড় যায়নি। তবে এটি ওদিকে যেতে পারে। আসলে এত অগ্রিম কিছু সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।

নিউজ লাইট ৭১

 

Tag :

শেয়ার করুন

আশঙ্কা ঘূর্ণিঝড়

আপডেট টাইম : ০২:১৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে আগামী ২১ মার্চ সকালে। নির্ধারিত গতিমুখ অনুযায়ী উপকূলের দিকে এগিয়ে আসলে এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস কোনো বার্তা না দিলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে অশনি। শ্রীলঙ্কার দেওয়া এই নামের অর্থ বাজ বা বজ্র।

ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞানী আনন্দ কুমার দাস জানিয়েছেন, ১৫ মার্চ ভারত সাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ধীরে ধীরে পূর্ব ও উত্তর-পূর্বদিকে এগিয়ে ১৯ মার্চ সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগরে লঘুচাপটি গভীর লঘুচাপে পরিণত হবে। ২০ মার্চ এটি আনন্দাম নিকোবর দ্বীপের কাছাকাছি এসে নিম্নচাপে পরিণত হবে। ২১ মার্চ সকালে যা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, ২২ মার্চ এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগুতে পারে। ২৩ মার্চ আরও উত্তর ও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

বর্তমানে লঘুচাপের কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ উঠে যাচ্ছে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত যা ২৩ মার্চ ৮০ কিলোমিটারে উঠতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) থেকেই সাগর উত্তাল হতে শুরু করবে এবং ২৩ মার্চ তা প্রবল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে যত সামুদ্রিক ঝড় আসছে তার প্রায় সবগুলোই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, একটা সিস্টেম ফরম করছে। তবে এটার গতিবিধি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঘূর্ণিঝড়ের গতি ও গতিমুখ নিয়ে এত অগ্রিম কিছু বলা যায় না। কেননা, বারবার এগুলো পরিবর্তন হয়। আগে লঘুচাপটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে আসুক, তারপর আমরা সবাইকে বলবো।

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে লঘুচাপটি কক্সবাজার-মিয়ানমার উপকূলে আসতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৬ সাল থেকে ওইদিকে তেমন কোনো ঝড় যায়নি। তবে এটি ওদিকে যেতে পারে। আসলে এত অগ্রিম কিছু সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।

নিউজ লাইট ৭১