রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ ট্রলারসহ ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / 17

ছবি: সংগৃহীত

দমকা হাওয়ার কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ১৮টির মধ্যে ১১ ট্রলার উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি ও দুবলারচর ফিসারম্যান গ্রুপের সমন্বয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে ট্রলারডুবির ঘটনায় গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে দুই জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মামুন শেখের বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার এবং ইসমাইল শেখের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায়। মামুন শেখ এফবি মা-বাবার দোয়া ট্রলারে এবং ইসমাইল শেখ এফবি জামিলা নামক ট্রলারে ছিলেন। হঠাৎ উল্টে যাওয়ায় মামুন ও ইসমাইল ট্রলারের পাটাতনের মধ্যে ঢুকে যায়। নিহত দুই জেলের লাশ তাদের বাড়িতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতের আকস্মিক ঝড়ে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় ১৮টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেলে অধিকাংশ জেলেই সাঁতরিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যায়। এসময় বেশ কয়েকজন জেলে নিখোঁজ হন। শনিবার সকাল থেকে জেলে, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনার পর বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি ও দুবলারচর ফিসারম্যান গ্রুপের সমন্বয়ে উদ্ধার কাজের জন্য সাগরে রয়েছে। এখনও অনেক জেলে ও ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় দুই জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ ট্রলারসহ ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

১১ ট্রলারসহ ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৪:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

দমকা হাওয়ার কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ১৮টির মধ্যে ১১ ট্রলার উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি ও দুবলারচর ফিসারম্যান গ্রুপের সমন্বয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে ট্রলারডুবির ঘটনায় গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে দুই জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মামুন শেখের বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার এবং ইসমাইল শেখের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায়। মামুন শেখ এফবি মা-বাবার দোয়া ট্রলারে এবং ইসমাইল শেখ এফবি জামিলা নামক ট্রলারে ছিলেন। হঠাৎ উল্টে যাওয়ায় মামুন ও ইসমাইল ট্রলারের পাটাতনের মধ্যে ঢুকে যায়। নিহত দুই জেলের লাশ তাদের বাড়িতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতের আকস্মিক ঝড়ে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় ১৮টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেলে অধিকাংশ জেলেই সাঁতরিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যায়। এসময় বেশ কয়েকজন জেলে নিখোঁজ হন। শনিবার সকাল থেকে জেলে, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনার পর বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি ও দুবলারচর ফিসারম্যান গ্রুপের সমন্বয়ে উদ্ধার কাজের জন্য সাগরে রয়েছে। এখনও অনেক জেলে ও ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় দুই জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ ট্রলারসহ ১৪৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১