আগামী ৬ মে থেকে নিজ নিজ জেলায় গণপরিবহনু চালু
- আপডেট টাইম : ০৩:১৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
- / 71
ঈদকে সামনে রেখে আগামী ৬ মে থেকে নিজ নিজ জেলায় গণপরিবহনু চালু করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধই থাকবে।
সোমবার (৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম মন্ত্রিসভা বৈঠকের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬ মে থেকে জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলবে । কিন্তু এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ট্রেন ও যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে। আর যেসব মার্কেটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে না প্রয়োজনে সেই মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সোমবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে জনস্বার্থ বিবেচনায় আগামী ৬ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে সরকার।
তিনি জানান, জেলার গাড়িগুলো জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, এবং কোনোভাবেই জেলার সীমানা অতিক্রম করতে পারবে না। সিটির ক্ষেত্রেও সিটি পরিবহন সিটির বাইরে যেতে পারবে না বলেও জানান মন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া কোনো গাড়ি ঢাকা জেলার সীমারেখার বাইরে যেতে পারবে না। পরিবহনগুলোকে অবশ্যই অর্ধেক আসন খালি রেখে নতুন সমন্বয়কৃত ভাড়ায় চলতে হবে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না, পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রতি ট্রিপে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করাও বাধ্যতামূলক হতে হবে।
কদিন ধরেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
এর আগে চলমান লকডাউন শেষ হলেও আন্তঃজেলা বাস সার্ভিস চালু না করে কেবল মহানগরীর মধ্যে গণপরিবহন চালুর পরামর্শ দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর।
সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউনের মেয়াদ আগামী ৫ মে শেষ হবে। পরবর্তী করণীয় ঠিক করতেই গতকাল রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়। সভায় মোট ১৬টি সুপারিশ করা হয়।
সুপারিশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হবে, কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের প্রণোদনা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া, মাস্কের ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে জেল-জরিমানা, গার্মেন্টসহ সব কলকারখানার কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান নিশ্চিতকরণ ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে অবস্থান নিশ্চিত করা।
নিউজ লাইট ৭১























