রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জরুরি সেবা ছাড়া সব বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১
  • / 66

সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় দুই সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাতে কমিটির ৩০ তম সভায় ওই সুপারিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।  

কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ করে বলা হয়েছে, সারাদেশে ‍উদ্বেগজনকভাবে কোভিড ১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে ১৮টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও করোনা নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ দেয়া হয়। এগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের হার বাড়ছে। বিধিনিষেধ আরও শক্তভাবে অনুসরণ করা দরকার। 

অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ব লকডাউন ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে সভায় মতামত ব্যক্ত করা হয়। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ২ সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করা হয়। দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণ হার বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।

এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশেও টিকা কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে বেসরকারীভাবে ভ্যাকসিন আমদানী করে টিকাদানের সুপারিশও করেছে কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

এর আগে শুক্রবার সকালে নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। সঙ্গে বাড়ছে জনগণের অবহেলা ও উদাসিনতা। এমতাবস্থায় সরকার জনস্বার্থে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের বিষয়ে সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে।

চলমান এক সপ্তাহের লকডাউনে জনগণের উদাসীন মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না। দেশের জনস্বাস্থ্যবিদেরাও এই পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

জরুরি সেবা ছাড়া সব বন্ধ

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় দুই সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাতে কমিটির ৩০ তম সভায় ওই সুপারিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।  

কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ করে বলা হয়েছে, সারাদেশে ‍উদ্বেগজনকভাবে কোভিড ১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে ১৮টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও করোনা নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ দেয়া হয়। এগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের হার বাড়ছে। বিধিনিষেধ আরও শক্তভাবে অনুসরণ করা দরকার। 

অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ব লকডাউন ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে সভায় মতামত ব্যক্ত করা হয়। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ২ সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করা হয়। দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণ হার বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।

এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশেও টিকা কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে বেসরকারীভাবে ভ্যাকসিন আমদানী করে টিকাদানের সুপারিশও করেছে কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

এর আগে শুক্রবার সকালে নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। সঙ্গে বাড়ছে জনগণের অবহেলা ও উদাসিনতা। এমতাবস্থায় সরকার জনস্বার্থে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের বিষয়ে সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে।

চলমান এক সপ্তাহের লকডাউনে জনগণের উদাসীন মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না। দেশের জনস্বাস্থ্যবিদেরাও এই পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজ লাইট ৭১