ডিজিটাল না হলে করোনা মহামারীর এ সময়ে পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হতো
- আপডেট টাইম : ০৬:৪২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০
- / 101
বাংলাদেশ ডিজিটাল না হলে করোনা মহামারীর এ সময়ে পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হতো বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। রোববার অনলাইনের (জুম) মাধ্যমে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে ‘ই-পোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ সফ্টওয়্যার এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল (অনলাইন) সেবা পেয়ে দেশের ১৬ কোটি মানুষ গর্বিত। শ্রমিক-কৃষক থেকে সকলে সেবা পাচ্ছি। ডিজিটাল এ সেবা না থাকলে সমগ্র বিশ্ব থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতাম। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদেরকে ডিজিটাল সেবায় নিয়ে গেছেন। এ ডিজিটাল সেবার স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার সরাসরি নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-পোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বুড়িমারী স্থলবন্দর আরও গতিশীল হবে, স্বচ্ছতা আসবে, হয়রানি কমে যাবে এবং সেবার মান আরও বাড়বে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে আমরা সমগ্র পৃথিবীর দৃষ্টির মধ্যে আছি। দেশ কিভাবে এগিয়ে যেতে পারে- শেখ হাসিনা একটি ‘রোল মডেল’ হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর সার্বিক দিক নির্দেশনায় আমাদের কাক্সিক্ষত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব।
প্রতিমন্ত্রী পরে অনলাইনের (জুম) মাধ্যমে বুড়িমারী স্থলবন্দরে ‘ই-ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ সফ্টওয়্যার এর উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন ২৪টি স্থল বন্দরের মধ্যে ১২টি স্থলবন্দরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়কারী বন্দর বুড়িমারী স্থলবন্দর। স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে গতিশীলতা আনয়ন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সেবা সহজীকরণ ও ই-সার্ভিসের আওতায় ‘ই-পোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ সফ্টওয়্যার লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারী স্থল বন্দরে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে স্থলবন্দরের বিদ্যমান সকল সেবা অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
‘ই-পোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’টি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক টেস্টিং এবং ন্যাশনাল ডাটা সেন্টারে হোস্টিং এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে তথ্যের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত থাকবে। উক্ত সেবা থেকে বুড়িমারী স্থল বন্দরের ১৬টি জনবান্ধব সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং এই সিস্টেমটি থেকে বছরে প্রায় ৬৫০০০-৭০০০০ জনগণ সেবা পাবে।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোতাহার হোসেন এমপি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এটুআই’র প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. আব্দুল মান্নান, আমদানি রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সওদাগর, সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইকবাল আহমেদ ফখরুল হাসান (রাসেল) প্রমুখ।
নিউজ লাইট ৭১























