শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িল ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পেল সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 72

রাজউক কুড়িল ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর উপর ন্যস্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি।

সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিগণ এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আলোচনায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে অর্পণের জন্য নিজ নিজ যুক্তি উপস্থাপন করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যে স্থানে কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছে তার মালিকানা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের। তাছাড়া এ ফ্লাইওভারের কানেক্টিং সকল রোডের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ এই মন্ত্রণালয় করে থাকে। উপরন্তু হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনাল এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংশ্লিষ্ট সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় করে যাচ্ছে। এই ফ্লাইওভার এর সকল লুপ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন মহাসড়কে অবতরণ করেছে। এই ফ্লাইওভার জাতীয় মহাসড়ক এন-৩ এর এরিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য যে ফ্লাইওভারের নিচের অংশ এবং সকল লুপের সংযোগস্থলের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় করে থাকে।

সার্বিক দিক বিবেচনায় এই ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাস্ত করা উচিত বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একাধিক প্রতিনিধি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর প্রতিনিধিগণ ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অনুকূলে প্রদানের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

সকল যুক্তি তর্ক এবং আলোচনা পর্যালোচনা শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য বিবেচনায় তাদের উপর ন্যস্ত করা উচিত বলে সিদ্ধান্ত দেন।

উল্লেখ্য যে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ৩০০ ফিট রাস্তা সংলগ্ন স্থানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় রাজউক কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ করে। কিন্তু পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় ফ্লাইওভারটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ স্থায়ীভাবে করা সম্ভব নয় বিধায় তা অন্য কোন দপ্তর বা সংস্থায় ন্যাস্ত করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব মো. হেমায়েত হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

কুড়িল ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পেল সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

আপডেট টাইম : ০৬:৩২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

রাজউক কুড়িল ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর উপর ন্যস্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি।

সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিগণ এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আলোচনায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে অর্পণের জন্য নিজ নিজ যুক্তি উপস্থাপন করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যে স্থানে কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছে তার মালিকানা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের। তাছাড়া এ ফ্লাইওভারের কানেক্টিং সকল রোডের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ এই মন্ত্রণালয় করে থাকে। উপরন্তু হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনাল এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংশ্লিষ্ট সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় করে যাচ্ছে। এই ফ্লাইওভার এর সকল লুপ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন মহাসড়কে অবতরণ করেছে। এই ফ্লাইওভার জাতীয় মহাসড়ক এন-৩ এর এরিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য যে ফ্লাইওভারের নিচের অংশ এবং সকল লুপের সংযোগস্থলের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় করে থাকে।

সার্বিক দিক বিবেচনায় এই ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাস্ত করা উচিত বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একাধিক প্রতিনিধি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর প্রতিনিধিগণ ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অনুকূলে প্রদানের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

সকল যুক্তি তর্ক এবং আলোচনা পর্যালোচনা শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য বিবেচনায় তাদের উপর ন্যস্ত করা উচিত বলে সিদ্ধান্ত দেন।

উল্লেখ্য যে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ৩০০ ফিট রাস্তা সংলগ্ন স্থানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় রাজউক কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ করে। কিন্তু পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় ফ্লাইওভারটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ স্থায়ীভাবে করা সম্ভব নয় বিধায় তা অন্য কোন দপ্তর বা সংস্থায় ন্যাস্ত করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব মো. হেমায়েত হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ লাইট ৭১