সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাউন্সিলর সাঈদ ক্যাসিনোকাণ্ডে পদচ্যুত

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯
  • / 143

ক্যাসিনোকাণ্ডে পদচ্যুত কাউন্সিলর সাঈদ - ফাইল ছবি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আ ন ম ফয়জুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মমিনুল হক যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্পোরেশনের ১৮টি সভার মধ্যে ১৩টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে টানা তিনবার (প্রথম থেকে তৃতীয় সভায় পরপর), চারবার (সপ্তম থেকে ১০ম) ও ছয়বার (১২তম থেকে ১৭তম) সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও বলা হয়, কাউন্সিলর সাঈদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে গমন ও অবস্থান করেছেন। এসব বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দেয়ার জন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

তিনি জবাব দিয়েছেন, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সরেজমিন তদন্তের জন্য সরকার একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’ অনুযায়ী কাউন্সিলর পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনের ধারা ১৩ এর উপধারা (২) অনুযায়ী মমিনুল হককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

মমিনুল হক সাঈদ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক। ২০১৫ সালে ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি।

এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) এম ইদ্রিস সিদ্দিকী।

Tag :

শেয়ার করুন

কাউন্সিলর সাঈদ ক্যাসিনোকাণ্ডে পদচ্যুত

আপডেট টাইম : ০৯:০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আ ন ম ফয়জুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মমিনুল হক যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্পোরেশনের ১৮টি সভার মধ্যে ১৩টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে টানা তিনবার (প্রথম থেকে তৃতীয় সভায় পরপর), চারবার (সপ্তম থেকে ১০ম) ও ছয়বার (১২তম থেকে ১৭তম) সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও বলা হয়, কাউন্সিলর সাঈদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে গমন ও অবস্থান করেছেন। এসব বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দেয়ার জন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

তিনি জবাব দিয়েছেন, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সরেজমিন তদন্তের জন্য সরকার একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’ অনুযায়ী কাউন্সিলর পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনের ধারা ১৩ এর উপধারা (২) অনুযায়ী মমিনুল হককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

মমিনুল হক সাঈদ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক। ২০১৫ সালে ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি।

এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) এম ইদ্রিস সিদ্দিকী।