বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অক্টোবর মাসেও বাজারে আসবে ‘পাকা আম’

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০
  • / 112

৭১: ‘মেহেদী-২’ নামের নাবি জাত। এই জাতের এ আম গাছে বছরে দুইবার আম ধরে। এপ্রিল মাসে গাছে মুকুল আসে আর আম পাকে অক্টোবর মাসে। আবার নভেম্বরে এসব গাছে মুকুল ধরে মার্চে ফলন হয়। চলতি বছর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী হর্টিকালচার সেন্টারে এ জাতের আম গাছে এরই মধ্যে আম পেকেছে। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যিই।

প্রতিটি আমের ওজন হয়েছে ৫শ’ গ্রাম। আমে আঁশ নেই, আঁটি ছোট। চিনির পরিমাণ ২২ ভাগ। সু-ঘ্রাণসহ এ আমের ভেতরটা রঙিন। আমের ৮৮ ভাগই খাওয়ার উপযোগী। খেতেও সুস্বাদু।  দেশে প্রচলিত আমের তুলনায় এ জাতের আম অনেক বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

কাশিয়ানী হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা গাছ থেকে দেশেই নতুন জাতের আম উৎপাদনে সফলতা পাওয়া গেছে। এ বছর এপ্রিল মাসে গাছে ফুল আসে। এ ফুল থেকে গাছে ছয়টি আম ধরে। আক্টোবরে শুরুতেই এ আম পেকেছে।

কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম আরও জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পের পরিচালক ড. মেহেদী মাসুদ দেড় বছর আগে ইন্দোনেশিয়া থেকে এই জাতের আমের একটি ডাল এনে আমিনুলকে দেন। সেটা থেকে কলম করে কাশিয়ানী হর্টি কালচারে রোপন করেন তিনি। এ আমে রোগ বালই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ নেই।



 

Tag :

শেয়ার করুন

অক্টোবর মাসেও বাজারে আসবে ‘পাকা আম’

আপডেট টাইম : ০৬:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০

৭১: ‘মেহেদী-২’ নামের নাবি জাত। এই জাতের এ আম গাছে বছরে দুইবার আম ধরে। এপ্রিল মাসে গাছে মুকুল আসে আর আম পাকে অক্টোবর মাসে। আবার নভেম্বরে এসব গাছে মুকুল ধরে মার্চে ফলন হয়। চলতি বছর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী হর্টিকালচার সেন্টারে এ জাতের আম গাছে এরই মধ্যে আম পেকেছে। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যিই।

প্রতিটি আমের ওজন হয়েছে ৫শ’ গ্রাম। আমে আঁশ নেই, আঁটি ছোট। চিনির পরিমাণ ২২ ভাগ। সু-ঘ্রাণসহ এ আমের ভেতরটা রঙিন। আমের ৮৮ ভাগই খাওয়ার উপযোগী। খেতেও সুস্বাদু।  দেশে প্রচলিত আমের তুলনায় এ জাতের আম অনেক বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

কাশিয়ানী হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা গাছ থেকে দেশেই নতুন জাতের আম উৎপাদনে সফলতা পাওয়া গেছে। এ বছর এপ্রিল মাসে গাছে ফুল আসে। এ ফুল থেকে গাছে ছয়টি আম ধরে। আক্টোবরে শুরুতেই এ আম পেকেছে।

কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম আরও জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পের পরিচালক ড. মেহেদী মাসুদ দেড় বছর আগে ইন্দোনেশিয়া থেকে এই জাতের আমের একটি ডাল এনে আমিনুলকে দেন। সেটা থেকে কলম করে কাশিয়ানী হর্টি কালচারে রোপন করেন তিনি। এ আমে রোগ বালই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ নেই।