সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ি ফেরার পথে কলেজ শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ১০:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 50

ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের বনবিভাগ কার্যালয়ের পাশের নির্জন এলাকায় ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে সহপাঠীর সঙ্গে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জোরপূর্বক বনবিভাগের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে সহপাঠীকে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়, আর তাকে তিন যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং সড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সঙ্গী শিক্ষার্থী জানান, বাস না পেয়ে তারা হাঁটছিলেন; তখন দুই যুবক তাদের ভয় দেখিয়ে ভেতরে নিয়ে যায়। তাকে মারধর করে টাকা দাবি করা হয় এবং বান্ধবীকে আলাদা করে নিয়ে যায়।

শাহাবুদ্দিন নামের এক স্থানীয় বলেন, “আমি বাসায় ফিরছিলাম। হঠাৎ দেখি কয়েকজন ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে বনবিভাগের দিক থেকে আসছে। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় মেয়েটিকে প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছিল। পরে তার সঙ্গে থাকা একটি ছেলে আমাকে ইশারা করলে তাদের সমস্যায় পড়ার বিষয়টি বুঝতে পারি। তখন পাশে থাকা অন্য যুবকের পরিচয় জিজ্ঞেস করা মাত্রই তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমি তাদের ধরার চেষ্টা করলেও পারিনি। পরে মেয়েটি কান্নাকাটি করে আমাদের সব খুলে বলে।”

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক খন্দকার রাশেদ আহম্মেদ বলেন, “মেয়েটি শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।”

পালং মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, মেয়েটি অসুস্থ থাকার কারণে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কথা বলতে পারেননি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

বাড়ি ফেরার পথে কলেজ শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট টাইম : ১০:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের বনবিভাগ কার্যালয়ের পাশের নির্জন এলাকায় ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে সহপাঠীর সঙ্গে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জোরপূর্বক বনবিভাগের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে সহপাঠীকে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়, আর তাকে তিন যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং সড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সঙ্গী শিক্ষার্থী জানান, বাস না পেয়ে তারা হাঁটছিলেন; তখন দুই যুবক তাদের ভয় দেখিয়ে ভেতরে নিয়ে যায়। তাকে মারধর করে টাকা দাবি করা হয় এবং বান্ধবীকে আলাদা করে নিয়ে যায়।

শাহাবুদ্দিন নামের এক স্থানীয় বলেন, “আমি বাসায় ফিরছিলাম। হঠাৎ দেখি কয়েকজন ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে বনবিভাগের দিক থেকে আসছে। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় মেয়েটিকে প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছিল। পরে তার সঙ্গে থাকা একটি ছেলে আমাকে ইশারা করলে তাদের সমস্যায় পড়ার বিষয়টি বুঝতে পারি। তখন পাশে থাকা অন্য যুবকের পরিচয় জিজ্ঞেস করা মাত্রই তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমি তাদের ধরার চেষ্টা করলেও পারিনি। পরে মেয়েটি কান্নাকাটি করে আমাদের সব খুলে বলে।”

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক খন্দকার রাশেদ আহম্মেদ বলেন, “মেয়েটি শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।”

পালং মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, মেয়েটি অসুস্থ থাকার কারণে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কথা বলতে পারেননি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজ লাইট ৭১