সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক দম্পতির গলা কাটা লাশ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০১:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 47

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)-এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তাদের নিজ বাড়িতেই হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। রোববার ভোরে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তাদের প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় এবং ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়কে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। স্বামী–স্ত্রী দুজনই বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, “দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।”

ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন এবং উপজেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক দম্পতির গলা কাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০১:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)-এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তাদের নিজ বাড়িতেই হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। রোববার ভোরে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তাদের প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় এবং ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়কে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। স্বামী–স্ত্রী দুজনই বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, “দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।”

ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেন এবং উপজেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নিউজ লাইট ৭১