সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাতকে পুলিশের উপর হামলা, আহত দুই

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 37

ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের ছাতকে চোরাচালান মামলার আসামি গ্রেফতারে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পুলিশ সদস্য দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

গত ২৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ছাতক পৌরসভার টেঙ্গারগাঁও গ্রামে নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতারে অভিযান চালান তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. রোমেন মিয়া ও তার দল। এ সময় জয়নাল মিয়া পুলিশকে বাধা দেন এবং ৪০-৫০ জনের একটি দল নিয়ে পুলিশকে হেনস্তা ও জিম্মি করেন। খবর পেয়ে ছাতক থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে আরেকটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা এসআই সাহাব উদ্দিন ও কনস্টেবল মোস্তাক আহমদকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আহতদের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কনস্টেবল মোস্তাককে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

জানা যায়, আলতাফ আলীর পুত্র শাহিন ও তার ভাই জয়নাল মিয়া পূর্বে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর চোরাচালান ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা আওয়ামী লীগ বিরোধী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। গত ১৮ জুলাই সেনাবাহিনী ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান আটক করলে শাহিন স্থানীয় দুই সাংবাদিককে হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার ফলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

হামলার পর রাত ২টার দিকে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। ছাতক থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

ছাতকে পুলিশের উপর হামলা, আহত দুই

আপডেট টাইম : ০৯:৪৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

সুনামগঞ্জের ছাতকে চোরাচালান মামলার আসামি গ্রেফতারে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পুলিশ সদস্য দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

গত ২৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ছাতক পৌরসভার টেঙ্গারগাঁও গ্রামে নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতারে অভিযান চালান তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. রোমেন মিয়া ও তার দল। এ সময় জয়নাল মিয়া পুলিশকে বাধা দেন এবং ৪০-৫০ জনের একটি দল নিয়ে পুলিশকে হেনস্তা ও জিম্মি করেন। খবর পেয়ে ছাতক থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে আরেকটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা এসআই সাহাব উদ্দিন ও কনস্টেবল মোস্তাক আহমদকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আহতদের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কনস্টেবল মোস্তাককে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

জানা যায়, আলতাফ আলীর পুত্র শাহিন ও তার ভাই জয়নাল মিয়া পূর্বে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর চোরাচালান ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা আওয়ামী লীগ বিরোধী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। গত ১৮ জুলাই সেনাবাহিনী ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান আটক করলে শাহিন স্থানীয় দুই সাংবাদিককে হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার ফলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

হামলার পর রাত ২টার দিকে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। ছাতক থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ লাইট ৭১