সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফের সমুদ্রে নামছেন জেলেরা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ১২:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 43

ছবি: সংগৃহীত

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাত থেকেই ফের সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। গত ১৫ এপ্রিল থেকে বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ আহরণে  নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার । 

বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য প্রতিবারের মতো এবারও এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। ‘সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা, ২০২৩’ এর বিধি ৩ এর উপবিধি (১) এর দফা (ক) তে দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সারাদেশে মাছের জোগান অনেকটাই কমে গেছে বলে জানিয়েছিলেন মাছ ব্যবসায়ীরা। এখন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর জুন থেকে আগস্ট মাসে সাদা মাছের আহরণ তুলনামূলক কম হয় এবং এর পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা মাছের প্রজননকাল বিবেচনা করে প্রতিবছর জুন ও জুলাই মাসে সাদা মাছের আহরণ আইন করে বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেন। এ অবস্থায় ২০১৫ সাল থেকে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন ট্রলারের মাধ্যমে সব ধরনের মাছ ও চিংড়ি আহরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছিল সরকার।

পরে দেশের মৎস্য গবেষক, জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিন্যাসের দাবি করে আসছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে, এবার থেকে সরকার ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় সাত দিন কমিয়ে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন করে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

ফের সমুদ্রে নামছেন জেলেরা

আপডেট টাইম : ১২:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাত থেকেই ফের সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। গত ১৫ এপ্রিল থেকে বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ আহরণে  নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার । 

বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য প্রতিবারের মতো এবারও এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। ‘সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা, ২০২৩’ এর বিধি ৩ এর উপবিধি (১) এর দফা (ক) তে দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সারাদেশে মাছের জোগান অনেকটাই কমে গেছে বলে জানিয়েছিলেন মাছ ব্যবসায়ীরা। এখন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর জুন থেকে আগস্ট মাসে সাদা মাছের আহরণ তুলনামূলক কম হয় এবং এর পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা মাছের প্রজননকাল বিবেচনা করে প্রতিবছর জুন ও জুলাই মাসে সাদা মাছের আহরণ আইন করে বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেন। এ অবস্থায় ২০১৫ সাল থেকে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন ট্রলারের মাধ্যমে সব ধরনের মাছ ও চিংড়ি আহরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছিল সরকার।

পরে দেশের মৎস্য গবেষক, জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিন্যাসের দাবি করে আসছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে, এবার থেকে সরকার ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় সাত দিন কমিয়ে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন করে।

নিউজ লাইট ৭১