সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঠে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 171

ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। ধীরে ধীরে সবুজ আভা মুছে গিয়ে বোরো ধানের শীষ নিচ্ছে সোনালি রঙ। কিছু কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে ধান পাকতে শুরু করেছে। চারদিকে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য—বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে বাতাসে দুলছে পাকা ধানের শীষ। এই শীষে দুলছে কৃষকের আনন্দ আর আশার ঝিলিক।

শুধু ফসল নয়, কৃষকের মনে এখন এক ভিন্ন রকম উত্তেজনা। ধান কাটার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। শূন্য গোলা ভরবে সোনালি ধানে—এ দৃশ্য কল্পনা করেই কৃষকরা মেতে আছেন স্বপ্ন বোনায়। ধান চাষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগবালাই ছিল কম। কৃষকরা জানান, শেষ সময় পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবারে বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

ভাঙ্গুড়ার প্রধান ফসল ইরি-বোরো ধান। এর মধ্যে জিরাশাইল জাতের ধানের চাষ সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি কিছু জমিতে নতুন জাতের ধানও চাষ করা হয়েছে।

শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ধানখেতগুলো নজরকাড়া হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির অশেষ করুণা থাকলে এবার বাম্পার ফলন প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. শারমিন জাহান বলেন, “চলতি মৌসুমে ৭,০৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪২০ হেক্টর বেশি। আমরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করেছি এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা ওঠানামা করছে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কোনো দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, এতে ধানের শীষ হিট শকে আক্রান্ত হতে পারে। এ অবস্থায় কৃষকদের নিয়মিত সচেতন ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।”

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

মাঠে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন

আপডেট টাইম : ০৪:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। ধীরে ধীরে সবুজ আভা মুছে গিয়ে বোরো ধানের শীষ নিচ্ছে সোনালি রঙ। কিছু কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে ধান পাকতে শুরু করেছে। চারদিকে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য—বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে বাতাসে দুলছে পাকা ধানের শীষ। এই শীষে দুলছে কৃষকের আনন্দ আর আশার ঝিলিক।

শুধু ফসল নয়, কৃষকের মনে এখন এক ভিন্ন রকম উত্তেজনা। ধান কাটার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। শূন্য গোলা ভরবে সোনালি ধানে—এ দৃশ্য কল্পনা করেই কৃষকরা মেতে আছেন স্বপ্ন বোনায়। ধান চাষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগবালাই ছিল কম। কৃষকরা জানান, শেষ সময় পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবারে বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

ভাঙ্গুড়ার প্রধান ফসল ইরি-বোরো ধান। এর মধ্যে জিরাশাইল জাতের ধানের চাষ সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি কিছু জমিতে নতুন জাতের ধানও চাষ করা হয়েছে।

শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ধানখেতগুলো নজরকাড়া হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির অশেষ করুণা থাকলে এবার বাম্পার ফলন প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. শারমিন জাহান বলেন, “চলতি মৌসুমে ৭,০৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪২০ হেক্টর বেশি। আমরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করেছি এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা ওঠানামা করছে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কোনো দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, এতে ধানের শীষ হিট শকে আক্রান্ত হতে পারে। এ অবস্থায় কৃষকদের নিয়মিত সচেতন ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।”

নিউজ লাইট ৭১