সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৪, নিহত ১

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ১১:২৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 76

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সীমা নামের একজনের মৃত্যু হয়।

দগ্ধ অন্যরা হলেন- পারভীন (৩৫), তাসলিমা (৩০), তানজিলা (১০) ও আইয়ান (দেড় বছর)।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, রোববার রাতে গাজীপুরের বাসন থানার মোগরখাল এলাকার একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাঁচজনকে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন সকালে মারা গেছেন।

৩০ বছর বয়সী সীমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

শাওন বিন রহমান বলেন, আহতদের মধ্যে পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তাসলিমার ৯৫ শতাংশ, তানজিলার ৯০ শতাংশ এবং আইয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। “তাদের পোড়ার মাত্রা অনেক বেশি। অবস্থা ভালো নয়, আশঙ্কাজনক।”

পারভীনের স্বামী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ওই বাসায় তারা ভাড়া থাকেন। ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন, খবর পেয়ে বাসায় যান। যতটুকু জানতে পারছি, সিলিন্ডার থেকে ঘরের মধ্যে গ্যাস জমে ছিল। চুলা জ্বালাইতে গেলে বিকট শব্দে ঘরের মধ্যে আগুন ধরে যায়। পরে বাড়িতে থাকা অন্যরা পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এদের মধ্যে পারভীন আমার স্ত্রী, আয়ান আমার ছেলে। বাকিরাও ওই বাসার ভাড়াটিয়া।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৪, নিহত ১

আপডেট টাইম : ১১:২৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সীমা নামের একজনের মৃত্যু হয়।

দগ্ধ অন্যরা হলেন- পারভীন (৩৫), তাসলিমা (৩০), তানজিলা (১০) ও আইয়ান (দেড় বছর)।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, রোববার রাতে গাজীপুরের বাসন থানার মোগরখাল এলাকার একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাঁচজনকে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন সকালে মারা গেছেন।

৩০ বছর বয়সী সীমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

শাওন বিন রহমান বলেন, আহতদের মধ্যে পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তাসলিমার ৯৫ শতাংশ, তানজিলার ৯০ শতাংশ এবং আইয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। “তাদের পোড়ার মাত্রা অনেক বেশি। অবস্থা ভালো নয়, আশঙ্কাজনক।”

পারভীনের স্বামী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ওই বাসায় তারা ভাড়া থাকেন। ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন, খবর পেয়ে বাসায় যান। যতটুকু জানতে পারছি, সিলিন্ডার থেকে ঘরের মধ্যে গ্যাস জমে ছিল। চুলা জ্বালাইতে গেলে বিকট শব্দে ঘরের মধ্যে আগুন ধরে যায়। পরে বাড়িতে থাকা অন্যরা পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এদের মধ্যে পারভীন আমার স্ত্রী, আয়ান আমার ছেলে। বাকিরাও ওই বাসার ভাড়াটিয়া।

নিউজ লাইট ৭১